#বিজ্ঞান রিভিশন (২য় খণ্ড ) : যেকোনো পরীক্ষায় মিনিমাম ৪ নম্বর কমন পড়বেই
#বিজ্ঞানের_উপর_টপ_সাজেশন
আরো পড়ুন >> ৪১তম বিসিএস এর বিজ্ঞান শেষ সময়ের সাজেশান-১
২৭১। নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ফিশন বলা হয়।
২৭২। পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক- ওপেনহেইমার
২৭৩। গ্রাফাইট পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২৭৪। সোডিয়াম পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২৭৫। 'Biology 'শব্দের প্রবর্তক - জ্যঁ ল্যামার্ক
২৭৬। সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে দ্বিপদ নামকরণ তথা শ্রেণিবিদ্যা- এর জনক বলা হয়।
২৭৭। বৈজ্ঞানিক নামসমূহ:
★ মানুষ --------------------- Homo sapiens
★ রয়েল বেঙ্গল টাইগার- Panthera tigris
★ দোয়েল ----------------- Copsychus saularis
★ কুনো ব্যাঙ ------------- Bufo melanostictus
★ ইলিশ ------------------- Tenualosa ilisha
★ শাপলা ------------------ Nymphea nouchali
★ কাঁঠাল ------------ Artocarpus heterophyllus
★ ধান ------------------ Oryza sativa
★ আম ------------------ Mangifera indica
★ মৌমাছি ------------- Apis indica
২৭৮। গ্রীক দার্শনিক এরিস্টটলকে জীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
২৭৯। জীববিজ্ঞানের শাখাসমূহ ও আলোচ্য বিষয়ঃ
★ Morphology (অঙ্গসংস্থানবিদ্যা)- জীবের দৈহিক গঠন বর্ণনা
★ Taxonomy ( শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা)- জীবের শ্রেণিবিন্যাস ও রীতিনীতিসমূহ
★ Physiology ( শারীরবিদ্যা)- জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈবরাসায়নিক কার্যাদি ও যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজের বিবরণ
★ Histology ( টিস্যুতত্ত্ব)- জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস ও কার্যাবলী
★ Embryology (ভ্রূণবিদ্যা)- জীবের ভ্রূণের পরিস্ফুরণ সম্পর্কিত বিদ্যা
★ Cytology (কোষবিদ্যা)- কোষের গঠন, কার্যাবলী ও বিভাজন
★ Genetics ( বংশগতিবিদ্যা) - জিন ও বংশগতিধারা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।
★ Evolution (বিবর্তনবিদ্যা) - পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশ
★ Ecology (বাস্তুবিদ্যা)- প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ক বিজ্ঞান
★ Endocrinology ( হরমোনতত্ত্ব)- জীবদেহে হরমোন এর কার্যকারিতা বিষয়ক জ্ঞান
★Biogeography (জীবভূগোল)- জীবের ভৌগোলিক বিস্তারের সাথে ভূমণ্ডলের শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কিত বিদ্যা
★ Anatomy (শারীরস্থানবিদ্যা)
★ Toxicology (বিষ সম্পর্কিত বিদ্যা)
★ Faicology ( শৈবাল সম্পর্কিত বিজ্ঞান)
★ Mycology ( ছত্রাক সম্পর্কিত বিজ্ঞান)
★ Parasitology (পরজীবী সম্পর্কিত বিজ্ঞান)
★ Entomology (কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত বিজ্ঞান)
★ Ornithology (পাখি সম্পর্কিত বিদ্যা)
★ Aviculture ( এভিকালচার)- পাখি পালন বিজ্ঞান
★ Ichthyology (মাছ সম্পর্কিত বিদ্যা)
★ Pisciculture (পিসিকালচার)- মৎস্যচাষ বিজ্ঞান
★ Fisheries ( ফিশারিজ)- মৎস্য, মৎস্য উৎপাদন, মৎস্য সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান
★ Paleontology ( প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা)- প্রাগৈতিহাসিক জীবের বিবরণ এবং জীবাশ্ম
★ Microbiology ( অণুজীববিদ্যা)- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীব সম্পর্কিত বিজ্ঞান
★ Anthropology (নৃবিজ্ঞান) - মানুষ বিষয়ক বিজ্ঞান। মানুষের বিবর্তন এবং সাংস্কৃতিক বিকাশ।
★ Genetic Engineering ( জিন প্রযুক্তি)
★ Biochemistry ( প্রাণরসায়ন)
★ Oceanography ( সমুদ্রবিজ্ঞান)
★ Forestry ( বনবিজ্ঞান)
★ Biotechnology ( জীব/জৈব প্রযুক্তি)
★ Pharmacy ( ফার্মেসি) - ঔষধ শিল্প ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিজ্ঞান
★ Wildlife ( বন্যপ্রাণিবিদ্যা)
★ Bioinformatics ( বায়োইনফরমেটিকস)- কম্পিউটার প্রযুক্তি নির্ভর জীববিজ্ঞান ভিত্তিক তথ্য যেমন ক্যান্সার ইত্যাদি বিশ্লেষণ বিষয়ক বিজ্ঞান
★ Apiculture (এপিকালচার)- মৌমাছি পালন বিজ্ঞান
★ Prawn culture (প্রন কালচার)- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান
★ Pearl culture ( পার্ল কালচার)- মুক্তা চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান
★ Sericulture (সেরিকালচার)- রেশম চাষ বিজ্ঞান
★ Horticulture (হর্টিকালচার)- উদ্যান পালন বিদ্যা
★ Arboriculture (আরবরিকালচার)- গাছ পালন বিদ্যা বিশেষত যেসব গাছের তক্তা হয়
★ Aquaculture (অ্যাকুয়াকালচার)- জলের মধ্যে গাছপালা উৎপাদন/ জীবজন্তুর বংশবৃদ্ধি বিদ্যা
★ Animal husbandry ( অ্যানিমেল হাজবেনড্রি)- গবাদি পশুপালন বিদ্যা
★ Paultry farming (পোলট্রি ফার্মিং)- হাঁস মুরগি পালন বিদ্যা
★ Genetic Engineering (জীন প্রকৌশল)
২৮০। বিজ্ঞানীদের পরিচয়:
★এরিস্টটলঃ
~জীববিজ্ঞান/ প্রাণিবিজ্ঞান এর জনক।
~তিনি 'Historia animalium' নামক গ্রন্থের রচয়িতা।
★ থিওফ্রাসটাসঃ
~ উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক।
~তিনি বিখ্যাত দার্শনিক এরিস্টটলের ছাত্র ছিলেন।
★আল বিরুনিঃ
~ তিনি ' কিতাবুল তারিকিল হিন্দ' নামে বিশ্ববিখ্যাত একখানা গ্রন্থ রচনা করেন।
★ ইবনে সিনাঃ
~ তিনি চিকিৎসা শাস্ত্রের উপর ' আলকানুন' নামক ১৪ খণ্ডাংশের একটি বই লিখেন।
★ এন্থনি ফন লিউয়েনহুকঃ
~ সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
~ তাঁকে 'অণুজীববিজ্ঞান'- এর জনক বলা হয়।
~ তিনি 'ব্যাকটেরিয়া' আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত।
★ আন নাফীসঃ
~ তিনি সর্বপ্রথম মানুষের রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক বর্ণনা প্রদান করেন।
★ উইলিয়াম হার্ভেঃ
~ তাঁকে 'শারীরবিদ্যা'- এর জনক বলা হয়।
~ 'On the Motion of the Heart and Blood in Animals ' গ্রন্থের প্রণেতা।
★ লুই পাস্তুরঃ
~ তিনি 'জীবাণু তত্ত্ব ' আবিষ্কার করেন।
~ গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স এবং জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য তিনি অমর হয়ে আছেন।
~ দুধকে জীবাণুমুক্ত করার প্রক্রিয়াকে 'পাস্তুরায়ন' বলে।
★আলেকজান্ডার ফ্লেমিংঃ
~ তিনি ১৯২৮ সালে 'Penicillium' নামক ছত্রাক থেকে 'Penicillin ' অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।
~ অতি শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক দ্বারা রোগ নিরাময় ব্যবস্থাকে কেমোথেরাপি বলে।
~ ছত্রাক দিয়ে পেনিসিলিন বা এন্টিবায়োটিক ঔষধ তৈরি করা হয়।
~ পেনিসিলিন একটি এন্টিবায়োটিক।
★ সালিম আলীঃ
~ সালিম আলী ভারতের 'the Birdman of India ' নামে পরিচিত বিশিষ্ট পক্ষীবিদ।
★জগদীস চন্দ্র বসুঃ
~ তিনি ময়মনসিংহ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
~ উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপক যন্ত্র 'ক্রেসকোগ্রাফ' তাঁর আবিষ্কার।
~ 'অব্যক্ত' জগদীশ চন্দ্র বসুর রচিত বই।
~ "গাছের প্রাণ আছে"- তা সর্বপ্রথম জগদীশ চন্দ্র বসু প্রমাণ করেন।
২৮১। বিজ্ঞানের শাখার জনকঃ
★ বিজ্ঞান ----- --------- থেলিস
★ চিকিৎসাবিজ্ঞান --- হিপোক্রেটিস
★ রসায়ন --------------- জাবির ইবনে হাইয়্যান
★ মনোবিজ্ঞান --------- উইলহেম উল্ড
★আধুনিক মনোবিজ্ঞান- সিগমন্ড ফ্রয়েড
★ দর্শনশাস্ত্র ------------ সক্রেটিস
২৮২। ১৬৬৫ সালে ইংরেজ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক সর্বপ্রথম কোষ আবিষ্কার করেন।
২৮৩। এককোষী জীব- অ্যামিবা, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমোডিয়াম ইত্যাদি।
২৮৪। প্রাণিদেহের দীর্ঘতম কোষ- নিউরন
২৮৫। সবচেয়ে বড় কোষ উট পাখির ডিম।
২৮৬। পৃথিবীর ১ম সৃষ্ট জীব- অ্যামিবা
২৮৭। কোষ সম্পর্কিত ধারণাঃ
★ কোষপ্রাচীরঃ
~ প্রাণীকোষে কোষ প্রাচীর নেই।
★সাইটোপ্লাজমঃ
~ সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত অঙ্গাণুগুলোর মধ্যে প্লাস্টিড সবচেয়ে বড়।
★ মাইটোকন্ড্রিয়াঃ
~ মাইটোকন্ড্রিয়ায় ৭৩% প্রোটিন থাকে।
~ ব্যাকটেরিয়ায় মাইটোকন্ড্রিয়া নেই।
~ মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের 'পাওয়ার হাউস'( শক্তিঘর) বলা হয়।
★ নিউক্লিয়াসঃ
~ রবার্ট ব্রাউন নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন।
~ লোহিত কণিকা, অণুচক্রিকা ইত্যাদি কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না।
~ নিউক্লিয়াসকে কোষের ' মস্তিষ্ক ' কিংবা 'প্রাণশক্তি ' বলা হয়।
★ রাইবোজোমঃ
~ রাইবোজোমের প্রধান কাজ হল প্রোটিন সংশ্লেষণ করা।
~ রাইবোজোমকে 'প্রোটিন ফ্যাক্টরী' বলা হয়।
★ প্লাস্টিডঃ
~ একমাত্র উদ্ভিদকোষে প্লাস্টিড দেখা যায়।
~ প্লাস্টিড দুই প্রকার। যথা- লিউকোপ্লাস্ট এবং ক্রোমাটোপ্লাস্ট
★ লিউকোপ্লাস্টঃ
~ বর্ণহীন।
★ ক্রোমাটোপ্লাস্টঃ
~ ক্রেমাটোপ্লাস্ট দুই প্রকার। যথা- ক্লোরোপ্লাস্ট এবং ক্রোমোপ্লাস্ট
★ ক্লোরোপ্লাস্টঃ
~ ক্লোরোপ্লাস্ট এর ভিতর সবুজ বর্ণ কণিকা ক্লোরোফিল থাকে।
~ সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করা এর প্রধান কাজ।
~ ক্লোরোফিল অণুর উপাদান ম্যাগনেসিয়াম।
★ ক্রোমোপ্লাস্টঃ
~ এটির জন্য পুষ্প রঙিন ও সুন্দর হয়।
~ ক্রোমোপ্লাস্টের জন্য ফুল বিচিত্র বর্ণের হয়।
~ পাকা ফলের রং জ্যান্থোফিলের আধিক্যের কারণে হলুদ, ক্যারোটিন এর জন্য কমলা, লাইকোপিনের জন্য লাল হয়।
★ কোষ বিভাজনঃ
~ জীবদেহে তিন প্রকার কোষ বিভাজন ঘটে।
~ কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ক্যান্সার রোগের প্রধান কারণ।
★কলা/টিস্যুঃ
~ আকৃতি, অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যু ৩ ধরনের হয়।
~ হৃদপিণ্ড বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।
~ যে কোষগুলো বিভাজনে অক্ষম তাকে স্থায়ী কলা বলে।
২৮৮। উইলিয়াম বেটসন সর্বপ্রথম 'জেনেটিক্স ' শব্দটি প্রয়োগ করেন।
২৮৯। অস্ট্রিয়ার ধর্মযাজক গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে জেনেটিক্স বা বংশগতির জনক বলা হয়।
২৯০। প্রাণিজগৎ এর উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলে- জেনেটিক্স
২৯১। দুটো প্রজাতির সম্মিলনে সৃষ্ট জীবের জাত - সংকর
২৯২। ক্রোমোজোমঃ
~ স্টাসবুর্গার সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন।
~ ওয়ালডেয়ার সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম নামটি ব্যবহার করেন।
~ মানুষের প্রতিকোষে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
~ জিন হলো ক্রোমোজমে অবস্থিত DNA
~ ডিএনএ অণু জীবের রাসায়নিক রূপ।
~ পিতাই সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য দায়ী, এক্ষেত্রে মায়ের কোনো ভূমিকা নেই।
~ ১৯৭০ সালে ড. হরগোবিন্দ খোরানা ঈস্ট থেকে ১ম কৃত্রিম জিন সংশ্লেষণ করেন।
২৯৩। নিউক্লিক এসিড দুই ধরনের। যথা- DNA (Deoxiribonucleic Acid) এবং RNA (Ribonucleic Acid)
২৯৪। জীনের রাসায়নিক গঠন উপাদান - ডিএনএ
২৯৫। ১৮৬৮ সালে Miescher ১ম ডিএনএ আবিষ্কার করেন।
২৯৬। জেমস ওয়াটসন এবং ফ্রান্সিস ক্রিক ১৯৫৩ সালে ডিএনএ অণুর প্রতিকৃতির ডাবল হেলিক্স মডেল প্রদান করেন।
২৯৭। ড. হরগোবিন্দ খোরানা জেনেটিক কোড আবিষ্কার করেন।
২৯৮। কোন জীবকে মানবকল্যাণে প্রয়োগের যে কোনো প্রযুক্তিকে বলা হয় জৈবপ্রযুক্তি।
২৯৯। নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির জন্য কোন জীবের ডিএনএ-তে পরিবর্তন ঘটানোকে বলা হয় জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।
৩০০। পিসিআর (PCR):
~ Polymerase Chain Reaction
~ এটি একটি বায়োকেমিক্যাল প্রযুক্তি যার মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে এক বা কয়েক কপি DNAকে লাখো বা কোটি গুণে উৎপাদন করা যায়।
#মোঃ_দেলোয়ার_হোসেন
প্রভাষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
ডেমরা কলেজ, ঢাকা -১৩৬০।
৩০১। ক্লোনিংঃ
~ কোন জীব থেকে সম্পূর্ণ অযৌন প্রক্রিয়ায় হুবহু নতুন জীব সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে ক্লোনিং বলে।
~ ড. ইয়ান উইলমুট ১ম ক্লোন পদ্ধতিতে একটি ভেড়ার জন্ম দেন।
~ সর্বপ্রথম যুক্তরাজ্যে Adult Cell ক্লোন করে যে ভেড়ার জন্ম দেওয়া হয়েছিল তার নাম 'ডলি'।
~ ৫ জুলাই, ১৯৯৬ ডলির জন্ম হয় এবং আর্থাইটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০০৩ সালে ডলি মারা যায়।
~ বিশ্বের ১ম ক্লোন বানর শাবকের নাম 'টেট্রা'।
~ ২৬ ডিসেম্বর ২০০২ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১ম ক্লোন মানব শিশু 'ইভ' নামক এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।
~ হু (WHO) মানব শিশু ক্লোন নিষিদ্ধ করেছে।
৩০২। বিবর্তন (Evolution) :
~ ইংরেজ জীববিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন সর্বপ্রথম বিবর্তনের ধারণা দেন।
~ তাঁর বিখ্যাত বই 'The Orgigin of Species '
৩০৩। যেসব অণুজীব রগ সৃষ্টি করে তাদেরকে বলা হয় প্যাথজেনিক।
৩০৪। ভাইরাসঃ
~' ভাইরাস' একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ।
~ জীব ও জড়ের মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী।
৩০৫। ভাইরাসঘটিত উদ্ভিদের দেহে রোগঃ
~ তামাকের মোজাইক রোগ
~ ধানের টুংগ্রো রোগ।
৩০৬। ভাইরাসঘটিত প্রাণিদেহে রোগঃ (রোগের নাম- জীবাণুর নাম- সংক্রমণের মাধ্যম)
★ জন্ডিস -- Hepatitis Virus -- যকৃত,পানি,খাদ্য, রক্ত
★ হার্পিস --------------- × ----------------ছোঁয়াচে
★গুটি বসন্ত ---------- × -----------------বায়ু
★ জল বসন্ত ----------×------------------বায়ু
★ হাম ------------------ ×------------------ বায়ু
★ মাম্পস ------------- ×------------------ বায়ু
★ হংকং ভাইরাস---SARS coronavirus----- বায়ু
★ ইনফ্লুয়েঞ্জা -------- Influenza Virus -------- বায়ু
★ বার্ড ফ্লু ------ H5N1--- হাঁস, মুরগী, কবুতর,পাখি
★ সোয়াইন ফ্লু------ H1N1---------------------- শুকর
★ পোলিও ----------- × ------------দূষিত খাদ্য, পানি
★ এইডস ------ HIV Virus ---------যৌন, রক্ত
★জলাতঙ্ক (Street Virus)-Rabies Virus- কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বানরসহ অধিকাংশ হিংস্র প্রাণীর কামড়
★ নিপাহ -- Nipah Virus (Henipavirus)-- বাদুড়
★ ইবোলা ------- Ebolavirus ------ বানর, বাদুড়
★ডেঙ্গু জ্বর-Dengue Virus (Flavivirus)-এডিস মশা
★ জিকা জ্বর- Zika Virus (Flavivirus)- এডিস মশা
★ ট্রিম্যান রোগ-- Human papillomavirus ----×
★ মুরগীর রানীক্ষেত-- Newcastle disease virus-------×
[ হার্পিস রোগের চিকিৎসায় 'অ্যাসিক্লোভার 'নামক ঔষধ ব্যবহৃত হয়।]
৩০৭। গুটি বসন্ত (Small Pox):
~ ১৭৯৬ সালে বিজ্ঞানী এডওয়ার্ড এন্থনি জেনার গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন।
~ জেনারকে 'প্রতিষেধক' বিদ্যার জনক বলা হয়।
৩০৮। জলাতঙ্ক ( Rabies/ Hydrophobia):
~ রোগীর মৃত্যু অনিবার্য (১০০%)
~ লুই পাস্তুর জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার করেন।
৩০৯। নিপাহ ভাইরাসঃ
~ নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত বাদুড় খেজুরের রস খেয়ে থাকলে পরবর্তীতে ঐ রস কেউ পান করলে তারও নিপাহ-তে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।
৩১০। এইডস (AIDS):
~ AIDS- Acquired Immune Deficiency Syndrome
~ শ্বেত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায়।
~ মৃত্যু অবধারিত।
~ অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা এইডস সংক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
~ প্রতিবছর '১ ডিসেম্বর ' বিশ্ব এইডস দিবস ' পালিত হয়।
~ ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের ১ম এইডস রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়।
~ দক্ষিণ আফ্রিকায় সবচেয়ে বেশি এইডস আক্রান্ত রোগী আছে।
৩১১। পোলিওঃ
~ ব্যক্তির শরীর পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়।
~ মার্কিন বিজ্ঞানী জোনাস সক পোলিও রোগের টিকা আবিষ্কার করেন।
৩১২। সার্সঃ
~ সার্স ভাইরাসটি 'হংকং ভাইরাস' নামেও পরিচিত।
~ ২০০২ সালে চীনে সর্বপ্রথম সার্স ভাইরাস ধরা পড়ে।
৩১৩। ইবোলা ভাইরাসঃ
~ ১৯৭৬ সালে কঙ্গোতে সর্বপ্রথম ইবোলা ভাইরাস সনাক্ত হয়।
~ কঙ্গো উপত্যকায় প্রবাহিত 'ইবোলা' নদীর নামানুসারে ইবোলা ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে।
~ ইবোলা ভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ লাইবেরিয়া।
৩১৪। ডেঙ্গু জ্বরের বাহক কোন মশা?- Aedes aegypti mosquito
৩১৫। সর্বপ্রথম সোয়াইন ফ্লুর আক্রমণ দেখা যায় - মেক্সিকো
৩১৬। 'নিউক্যাসেল ' রোগের অপর নাম- রানীক্ষেত রোগ
৩১৭। লিউয়েন হুক ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন।
৩১৮। ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতাঃ
~ মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
~ ব্যাকটেরিয়া হতে প্রতিষেধক তৈরি করা হয়।
~ যক্ষা রোগের টিকার নাম 'বি.সি.জি.'
~ বি.সি.জি. টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েনিন।
~ ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার টিকার নাম 'ডি.পি.টি.'
~ ধনুষ্টংকার এর টিকার নাম 'টি.টি.'
~ ব্যাকটেরিয়া হতে কলেরা ও টাইফয়েড রোগের প্রতিষেধক টিকাও তৈরি করা হয়।
~ চামড়া থেকে লোম ছাড়াতে
~ চা, কফি, তামাক প্রক্রিয়াকরণে
~ পাট পচাতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে।
~ পরিবেশকে পরিস্কার রাখে।
~ দুধ থেকে দই, মাখন, পনির প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে তৈরি করা হয়।
৩১৯। ব্যাকটেরিয়ার অপকারিতাঃ
~ ব্যাকটেরিয়া গমের টুন্ডুরোগ, ধানের ব্লাইট, আখের আঠাঝড়া রোগ, টমেটোর ক্যাংকার সৃষ্টি করে।
~ রোগ, ব্যাকটেরিয়ার নাম ও রোগ বিস্তারের মাধ্যম
★ যক্ষা -- Mycobacterium tuberculosis - বায়ু
★নিউমোনিয়া---Streptococcus pneumoniae -----------------------------------বায়ু
★ ডিপথেরিয়া ----------------×----------- বায়ু
★ হুপিংকাশি -----------------× -----------বায়ু
★ মেনিনজাইটিস -----------× -- --------বায়ু
★ গনোরিয়া ------------------× ----------- যৌন
★ সিফিলিস ------------------× ----------- যৌন
★ টাইফয়েড -----------------× ----------- পানি
★ কলেরা-------- Vibrio cholerae ------ পানি
★ কুষ্ঠ --------------× ------ দীর্ঘদিন রোগীর সংস্পর্শে
★ ধনুষ্টংকার --------- Clostridium tetani ---×
★ প্লেগ ------------------× ---------------- ইঁদুর
★ অ্যানথ্রাক্স ----- Bacillus anthracis------×
৩২০। রবার্ট কচ যক্ষা এবং কলেরার জীবাণু আবিষ্কার করেন।
৩২১। ডিপথেরিয়া রোগে দেহের গলা আক্রান্ত হয়।
৩২২। অ্যানথ্রাক্স শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক শব্দ হতে।
৩২৩। কোন রোগ প্রতিরোধের জন্য বি.সি.জি.(B.C.G.) টিকা ব্যবহার করা হয়?- যক্ষা
৩২৪। ম্যালেরিয়াঃ
~ 'ম্যালেরিয়া' একটি ফরাসি শব্দ।
~ ম্যালেরিয়া শব্দের অর্থ দূষিত বাতাস।
~ টর্টি সর্বপ্রথম 'ম্যালেরিয়া' শব্দটি প্রয়োগ করেন।
~ ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু বহনকারী মশা 'অ্যানোফিলিস'।
~ ম্যালেরিয়া চিকিৎসায় ক্লোরোকুইন, কুইনিন, মেফ্লোকুইন, সালফাডক্সিন ব্যবহৃত হয়।
~ 'কুইনিন' সিঙ্কোনা গাছ থেকে পাওয়া যায়।
~ বাংলাদেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলায় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।
৩২৫। Surgical instrument জীবাণুমুক্ত করার সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি - Autoclave
৩২৬। গুল্ম উদ্ভিদঃ
~ জবা, রঙ্গন, গন্ধরাজ, গোলাপ, লেবু ইত্যাদি।
৩২৭। উপগুল্ম উদ্ভিদঃ
~ কাল্কাসুন্দা, আঁশশেওড়া ইত্যাদি।
৩২৮। বীরুৎ উদ্ভিদঃ
~ ধান, গম, সরিষা, কচুরিপানা, লাউ, কুমড়া ইত্যাদি।
৩২৯। একবর্ষজীবী উদ্ভিদঃ
~ ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি।
৩৩০। দ্বিবর্ষজীবী উদ্ভিদঃ
~ মুলা, বাঁধাকপি ইত্যাদি।
৩৩১। বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদঃ
~ দুর্বা ঘাস, আদা, হলুদ ইত্যাদি।
৩৩২। শৈবালঃ
~ শৈবাল স্বভোজী জাতীয় উদ্ভিদ।
~ 'স্পাইরোগাইরা' একটি শৈবাল।
~ 'ক্লোরেলা' এক প্রকার সবুজ এককোষী শৈবাল।
~ ক্লোরেলা প্রোটিন খাদ্যের আদর্শ উৎস।
~ মহাকাশযান ও ডুবোজাহাজের পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে ক্লোরেলা ব্যবহৃত হয়।
~ মৎস্য চাষে ফাইটোপ্লাঙ্কটন বিশেষ ভূমিকা রাখে।
~ আয়োডিন ও পটাশিয়ামের একটি ভালো উৎস সামুদ্রিক শৈবাল।
~ সামুদ্রিক শৈবাল থেকে অ্যালজিন প্রস্তুত করা হয়।
~ শৈবাল চা পাতার 'রেড ব্লাস্ট' রোগের জন্য দায়ী।
~ পুকুরে শৈবাল ওয়াটারব্লুম সৃষ্টি করলে জলজ ও মাছের অক্সিজেনের অভাব হয়।
৩৩৩। ছত্রাকঃ
~ ছত্রাক বহুকোষী জীব।
~ যেমন - মিউকর, ঈস্ট, এগারিকাস, পেনিসিলিয়াম ইত্যাদি।
~ 'ঈস্ট' হলো ছত্রাক জাতীয় এককোষী অণুজীব।
~ বেকারি/ রুটি শিল্প (যেমন- পাউরুটি, কোক ইত্যাদি ফোলাতে) এবং মদ্য শিল্পে ইথানল ( ওয়াইন, হুইস্কি, বিয়ার) প্রস্তুতিতে ঈস্ট ব্যবহৃত হয়।
~ ঈস্ট ভিটামিন সমৃদ্ধ বলে ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
~ এগারিকাস 'ব্যাঙ্গের ছাতা' বা 'মাশরুম 'নামে পরিচিত।
~ মাশরুম একধরনের ফ্যাঙ্গাস (ছত্রাক)
~ মাশরুম পুষ্টিকর খাদ্য।
~ Penicillium notatum নামক ছত্রাক থেকে পেনিসিলিন এন্টিবায়োটিক ঔষধ তৈরি করা হয়।
~ ছত্রাক মানবদেহে দাদ, ছুলি রোগ সৃষ্টি করে।
~ মাথার খোসকি এক ধরনের ছত্রাকজনিত রোগ।
~ ধানের পাতায় বাদামী রোগ, আখের লালপচা, আলুর লেটব্লাইট রোগ প্রভৃতির জন্য দায়ী ছত্রাক।
৩৩৪। মসঃ
~ মসের কাণ্ড ও পাতা থাকে কিন্তু মূল থাকে না।
~ যেমন- Riccia Bryum, Barbula ইত্যাদি।
৩৩৫। ফার্নঃ
~ এরা পৃথিবীর প্রাচীনতম উদ্ভিদ।
~ যেমন- ফণিমনসা, ঢেঁকিশাক ইত্যাদি।
৩৩৬। অপুষ্পক উদ্ভিদঃ
~ ক্লোরেলা, নস্টক, মস, ফার্ন ইত্যাদি।
৩৩৭। সপুষ্পক উদ্ভিদঃ
~ অর্কিড, শিমুল, সাইকাস, পাইনাস ইত্যাদি।
৩৩৮। একবীজপত্রী উদ্ভিদঃ
~ ধান, গম, ইক্ষু, তাল, নারিকেল, সুপারি, খেজুর, ভুট্টা ইত্যাদি।
৩৩৯। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদঃ
~ আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, ছোলা, শিম, মটরশুটি, মেহগনি, সুন্দরী ইত্যাদি।
৩৪০। ভূ-নিম্নস্থ পরিবর্তিত কাণ্ডঃ
~ যেমন- আদা, হলুদ, গোল আলু, ওলকচু, পেয়াজ, রসুন, টিউলিপ ইত্যাদি।
৩৪১। অর্ধ-বায়বীয় কাণ্ডঃ
~ যেমন- থানকুনি, দুর্বাঘাস, আমরুলী, কচু, কচুরিপানা, টোপাপানা, পুদিনা, চন্দ্রমল্লিকা, বাঁশ ইত্যাদি।
৩৪২। বায়বীয় পরিবর্তিত কাণ্ডঃ
~ ফণিমনসা, শতমূলী, বেল, ময়না কাঁটা, মেহেদী, হাড়জোড়া, ঝুমকোলতা, বুলবিল ইত্যাদি।
৩৪৩। ফণিমনসার কাণ্ড পরিবর্তিত হয়ে পাতার মতো চ্যাপ্টা ও সবুজ হয়।
৩৪৪। কচুরিপানা ব্রাজিল থেকে বাংলাদেশে আনা হয়। এদের কাণ্ডে অনেক 'বায়ু কুঠুরি ' থাকে।
৩৪৫। পতঙ্গভূক উদ্ভিদঃ
~ কলসি, ঝাঁঝি, সূর্যশিশির ইত্যাদি।
৩৪৬। কোন গাছের পাতা থেকে গাছ জন্মায়?- পাথরকুচি
৩৪৭। কন্দাকৃতি মূল- সন্ধ্যামালতি
৩৪৮। প্রাকৃতিক অঙ্গজ প্রজননঃ
~ মূলের মাধ্যমে - মিষ্টি আলু, ডালিয়া, কাঁকরোল, পটল ইত্যাদি।
~ পাতার মাধ্যমে - পাথরকুচি
#মোঃ_দেলোয়ার_হোসেন
প্রভাষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
ডেমরা কলেজ, ঢাকা-১৩৬০।
৩৪৯। একটি সম্পূর্ণ ফুলের ৫ টি অংশ থাকে।
৩৫০। সম্পূর্ণ ফুলঃ
~ যেমন- ধুতুরা, জবা, বকফুল, নয়নতারা, গোলাপ, সরিষা ইত্যাদি।
৩৫১। অসম্পূর্ণ ফুলঃ
~ যেমন- লাউ, কুমড়া, শসা, ঝিঙা, লালপাতা ইত্যাদি।
৩৫২। প্রতিসম ফুলঃ
~ যেমন - অপরাজিত
৩৫৩। অপ্রতিসম ফুলঃ
~ যেমন- কলাবতী
৩৫৪। পৃথিবীর বৃহত্তম ফুলের নাম- রেফলেশিয়া
৩৫৫। ছোট দিনের উদ্ভিদঃ
~ যেমন- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, কসমস, শিম, ডালিয়া, তামাক, চন্দ্রমল্লিকা, রোপা আমন, পাট ইত্যাদি।
৩৫৬। বড় দিনের উদ্ভিদঃ
~ যেমন- ঝিঙা, লেটুস, পালংশাক, আফিম, যব ইত্যাদি।
৩৫৭। দিন নিরপেক্ষ উদ্ভিদঃ
~যেমন - সূর্যমুখী, টমেটো, শসা, কার্পাস, আউশ ধান ইত্যাদি।
৩৫৮। গাঁদা ফুল অন্ধকারে অঙ্কুরিত হয়ে থাকে।
৩৫৯। স্বপরাগায়নঃ
~ শিম, টমেটো, কানশিরা, তুলা ইত্যাদি।
৩৬০। পরপরাগায়নঃ
~ বায়ু পরাগায়ন ঘটে ধান, গম, ভুট্টা, ইক্ষু ইত্যাদিতে।
~ পতঙ্গ পরাগায়ন ঘটে সূর্যমুখী, জুঁই, সরিষা, গোলাপ, পদ্ম, শালুক, জবা, কুমড়া ইত্যাদিতে।
~ প্রাণী পরাগায়ন ঘটে কদম, কলা, কচু, শিমুল, পলাশ ইত্যাদিতে।
~ পানি পরাগায়ন ঘটে পাতা শেওলা, কাঁটা শেওলা ইত্যাদিতে।
৩৬১। ফলঃ
~ সরল ফল- আম, জাম, কলা, ঢেঁড়স ইত্যাদি।
~ গুচ্ছফল- আতা, পদ্ম, চম্পা, নয়নতারা, আকন্দ, শরীফা ইত্যাদি।
~ যৌগিক ফল- আনারস, কাঁঠাল, ডুমুর ইত্যাদি।
৩৬২। পৃথিবীর সবচেয়ে সুস্বাদু ফল- আম
৩৬৩। 'ক্যাপসিসিন'-এর কারণে মরিচ ঝাল লাগে।
৩৬৪। অঙ্কুরোদগমঃ
~ মৃৎগত অঙ্কুরোদগম- ধান, গম, ছোলা, আম, মটরশুঁটি ইত্যাদি।
~ মৃৎভেদী অঙ্কুরোদগম- তেঁতুল, লাউ, কুমড়া, পেঁয়াজ, শিম, রেডী ইত্যাদি।
~ জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম- কেওড়া, গরান, সুন্দরী ইত্যাদি।
৩৬৫। উদ্ভিদকোষ থেকে বাষ্পাকারে পানি বের হয়ে যাওয়ার প্রণালীকে প্রস্বেদন বলে।
৩৬৬। সূর্যের প্রখর উত্তাপেও গরম হয় না - গাছের পাতা
৩৬৭। পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় ফুলে উঠে।
৩৬৮। সালোকসংশ্লেষণঃ
~ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় শক্তির উৎস হলো আলো।
~ লাল আলোতে সবচেয়ে বেশি সালোকসংশ্লেষণ হয়।
~ সালোকসংশ্লেষণ এর জন্য সুবিধাজনক তাপমাত্রা 22-35° C.
~ পাতার প্যালিসেড প্যারেনকাইমা কোষে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে।
~ খাদ্য তৈরির জন্য উদ্ভিদ বায়ু থেকে গ্রহণ করে - কার্বন ডাই-অক্সাইড
~ Photosynthesis takes place in green parts of the plants.
৩৬৯। ঘন পাতাবিশিষ্ট বৃক্ষের নিচে রাতে ঘুমানো স্বাস্থ্যসম্মত নয়, কারণ এ সময় গাছ হতে শ্বসনের ফলে অধিক পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়।
৩৭০। ফল পাকানোর জন্য দায়ী- ইথিলিন
৩৭১। কাঁচা পেঁপে, টমেটো ও কলা পাকানোর জন্য যে কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় - ইথিলিন
৩৭২। ফ্লোরিজেন উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন করে।
৩৭৩। উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান - ১৬ টি
৩৭৪। উদ্ভিদের মুখ্য পুষ্টি উপাদান -১০টি
~ নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, লৌহ, কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, ফসফরাস, সালফার।
৩৭৫। উদ্ভিদের গৌণ পুষ্টি উপাদান - ৬টি
~ দস্তা, ম্যাঙ্গানিজ, মলিবডেনাম, বোরন, তামা ও ক্লোরিন
৩৭৬। বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের গুরুত্বঃ
★ নাইট্রোজেনঃ
~ মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে নাইট্রোজেন।
~ এর অভাবে উদ্ভিদের ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
~ এর অভাবে পাতা হলুদ (পীত বর্ণ) যায়।
~ পাতা হলুদ যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস বলে।
★ ফসফরাসঃ
~ এর অভাবে গাছের পাতা বেগুনি রঙ ধারণ করে।
~ এর অভাবে গাছের পাতা ও ফুল ঝরে পড়ে।
★ ম্যাগনেসিয়ামঃ
~ এর অভাবে গাছের পাতা ফ্যাকাশে রঙের হতে পারে।
★ লৌহঃ
~ এর অভাবে গাছের পাতা ফ্যাকাশে রঙের হয়।
★ সালফারঃ
~ এর অভাবে ফসলের পরিপক্বতা বিলম্বিত হয়।
★ পটাশিয়ামঃ
~ এর অভাবে পাতার শীর্ষ ও কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়।
★ বোরনঃ
~ এর অভাবে মূলের বৃদ্ধি কমে যায়।
~ এর অভাবে শাখার শীর্ষ মরে যায়।
~ ফুলের কুড়ি জন্ম ব্যাহত হয়।
৩৭৭। সবুজ বিপ্লবঃ
~ বিখ্যাত মার্কিন কৃষিবিজ্ঞানী নরম্যান বোরলাউগকে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয়।
৩৭৮। কৃষি জমিতে মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য চুন ব্যবহার করা হয়।
৩৭৯। ঘাষ জাতীয় উদ্ভিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্ভিদ - বাঁশ
[ ধান,গম, ইক্ষু, যব ইত্যাদিও ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ ]
৩৮০। অর্জুন, নিম, তুলসী, থানকুনি, বাসক, বেল, রসুন, শতমূলী, অশ্বগন্ধা, আদা, মুক্তাঝুড়ি ইত্যাদি ভেষজ উদ্ভিদ।
৩৮১। বস্তু শিল্পের প্রধান কাঁচামাল - তুলা
[ তুলা গাছকে সূর্যের কন্যা বলা হয়। ]
#মোঃ_দেলোয়ার_হোসেন
প্রভাষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
ডেমরা কলেজ, ঢাকা-১৩৬০।
#বিজ্ঞান রিভিশন (৩য় খণ্ড এবং সর্বশেষ পার্ট): #বিজ্ঞানের_উপর_টপ_সাজেশন
৩৮২। কোন জলজ জীবটি বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়?- শুশুক
৩৮৩। মানুষের গায়ের রং কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে?- মেলানিন
৩৮৪। সুষম খাদ্যের উপাদান - ৬টি
৩৮৫। প্রাণীজগতের প্রাণীদেরকে ১০টি পর্বে ভাগ করা হয়েছে।
৩৮৬। প্রটোজোয়া এককোষী জীব। যেমন - অ্যামিবা।
৩৮৭। অ্যানিলিডা- যেমন কেঁচো, জোঁক ইত্যাদি।
৩৮৮। আর্থোপোডাঃ
~ প্রাণী জগতের সবচেয়ে বৃহৎ পর্ব।
~ যেমন- চিংড়ি, আরশোলা, প্রজাপতি, কাঁকড়া, মাকড়সা, পিঁপড়া, মৌমাছি, রেশম পোকা ইত্যাদি।
~ মাকড়সা পা ৮টি।
৩৮৯। মলাস্কা- শামুক, ঝিনুক, অক্টোপাস ইত্যাদি।
৩৯০। কর্ডাটা- মানুষ, নীলতিমি, ব্যাঙ ইত্যাদি।
৩৯১। ফাইলেরিয়া কৃমিঃ
~ গোদ রোগের জন্য দায়ী - ফাইলেরিয়া কৃমি
~ কিউলেক্স মশার কামড়ে এ রোগ হয়।
~ বৃহত্তর দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চলে এ রোগের প্রকোপ বেশি।
৩৯২। কেঁচোঃ
~ কেঁচোকে ' প্রকৃতির লাঙ্গল ' বলা হয়।
~ কেঁচো ত্বকের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
৩৯৩। রেশম পোকাঃ
~ এটি একটি উপকারী পতঙ্গ।
~ রেশম পোকার গুটি থেকে উন্নত মানের সুতা তৈরি হয় যা বস্ত্রশিল্পে ব্যবহৃত হয়।
~ বিপুল ও সোনালি উন্নত জাতের রেশম পোকা।
~ রেশম পোকার বৈজ্ঞানিক নাম - Bombyx mori
~ রেশম পোকা বা মথ 'তুঁত' গাছের পাতা খেয়ে বেঁচে থাকে।
৩৯৪। মৌমাছিঃ
~ এটি একটি উপকারী পতঙ্গ।
~ একটি রাণী মৌমাছি ১০০০ (এক হাজার) বার ডিম পাড়ে।
~ মৌমাছি মূলত বসন্তকালে ফুল হতে মধু আহরণ করে।
~ মধুর P^H হলো ৩.২৬-৪.৪৮ যা ব্যাকটেরিয়ার জন্য একটি কিলিং ফিড।
৩৯৫। মশাঃ
~ মশা একটি ভেক্টর।
~ যে সকল বাহক (প্রাণী বা অণুজীব) অন্য একটি জীবের দেহে জীবাণু সংক্রমণ ঘটায়, তাদেরকে ভেক্টর বলে।
~ ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, ডেঙ্গু জ্বর, জিকা জ্বর, পীত জ্বর, চিকুনগুনিয়া প্রভৃতি রোগের বাহক মশা।
৩৯৬। মশাবাহিত রোগঃ (ভেক্টর - রোগ)
★ এডিশ মশা ------ ডেঙ্গু, জিকা, চিকনগুনিয়া
★ অ্যানোফিলিস মশা ---- ম্যালেরিয়া
★ কিউলেক্স মশা -------- ফাইলেরিয়া (গোদ রোগ)
★ Sand Fly ----------- কালাজ্বর
৩৯৭। ঝিনুকঃ
~ মুক্তা হলো ঝিনুকের প্রদাহের ফল।
৩৯৮। অক্টোপাসঃ
~ অক্টোপাস আট (০৮) বাহু বিশিষ্ট একটি সামুদ্রিক প্রাণী।
~ অক্টোপাসকে ডেভিল ফিস বলা হয়।
৩৯৯। কোন পতঙ্গ তার নিজের ওজনের ৫০ গুণ বেশি ওজন বহন করতে পারে? - পিঁপড়া
৪০০। কোন খাদ্যে পচন ধরে না?- মধু
#মোঃ_দেলোয়ার_হোসেন
প্রভাষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
ডেমরা কলেজ, ঢাকা-১৩৬০।
৪০১। মাছঃ
~ মাছ ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
~ সবচেয়ে দ্রুতগামী মাছ টুনামাছ।
~ হাঙর এক ধরনের শিকারী সামুদ্রিক মাছ।
~ তেলাপিয়া মাছ মুখে ডিম রেখে বাচ্চা ফুটায়।
৪০২। উভচর প্রাণীঃ
~ ব্যাঙ একটি উভচর প্রাণী।
~ ব্যাঙাচি ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
~ পূর্ণাঙ্গ ব্যাঙ ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
৪০৩। সরীসৃপ প্রাণীঃ
~ সাপ, কুমির, ঘড়িয়াল, কচ্ছপ, টিকটিকি, গিরগিটি, ডাইনোসর ইত্যাদি।
~ এরা বুকে ভর দিয়ে চলে।
~ সাপ জিহ্বার সাহায্যে শুনে।
~ কচ্ছপ দীর্ঘজীবী প্রাণী।
~ কচ্ছপ প্রায় ১৫০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।
~ গিরগিটি গায়ের রঙ পরিবর্তন করে আত্মরক্ষা করে।
~ ঘড়িয়াল বিরল প্রজাতির মিঠাজলের কুমির বর্গের সরীসৃপ। বাংলাদেশে পদ্মা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রে একসময় প্রচুর ঘড়িয়াল দেখা যেত।
~ ডায়নোসর ছিলো মেসোজোয়িক মহাযুগের প্রাণী।
৪০৪। পাখিঃ
~ এটি এভিস শ্রেণির প্রাণী।
~ যেমন- বাজপাখি, ঈগল, আলবাট্রস, শকুন, হাঁস, মুরগী, কবুতর ইত্যাদি।
~ সবচেয়ে বড় সামুদ্রিক পাখি - আলবাট্রস
~ গাঙচিল আকাশে দীর্ঘক্ষণ উড়তে পারে।
~ কাঠঠোকরা পাখির জীব কণ্টকময়।
~ কিউই, পেঙ্গুইন, উটপাখি, এমু ইত্যাদি পাখি উড়তে পারে না।
~ কিউই নিউজিল্যান্ডে পাওয়া যায়।
~ পেঙ্গুইন পানিতে খুব ভালো সাঁতার কাটতে পারে।
~ সবচেয়ে দ্রততম পাখি - সুইফট বার্ড
~ ভূচর পাখিদের মধ্যে দ্রুততম - উটপাখি
~ সবচেয়ে ছোট পাখি - হার্মিং বার্ড
~ সবচেয়ে বড় পাখি - উটপাখি
৪০৫। স্তন্যপায়ীঃ
~ স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহ লোম দ্বারা আবৃত এবং ব্যতিক্রম কিছু ছাড়া সবাই সন্তান প্রসব করে।
~ যেমন- মানুষ, তিমি, হাতি, বাদুড়, শুশুক, শিম্পাঞ্জি, ঘোড়া, জিরাফ, ইঁদুর ইত্যাদি।
~ প্লাটিপাস স্তন্যপায়ী জীব হলেও ডিম দেয়।
~ সবচেয়ে বড় প্রাণী - নীলতিমি।
~ সবচেয়ে বড় স্থলজ প্রাণী - আফ্রিকান হাতি।
~ শুশুক, তিমি এরা মাছ নয়। কেননা এরা ফুলকার পরিবর্তে ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
~ শুশুক জলজ জীব হলেও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়।
~ পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা প্রাণী - জিরাফ।
~ জিরাফ শব্দ করতে পারে না।
~ ক্যাঙ্গারু rat ( এক ধরনের ইঁদুর) জীবনে একবারও পানি পান করে না।
~ ঘোড়া দাঁড়িয়ে ঘুমায়।
~ মানুষের মতো বানরেরও দুটি হাত ও দুটি পা আছে।
~ আফ্রিকা মহাদেশকে বৃহদাকার চিড়িয়াখানা বলা হয়।
~ গরিলা এবং শিম্পাঞ্জি আফ্রিকার গহীন অরণ্যে বাস করে।
৪০৬। কোন প্রাণী গায়ের রং পরিবর্তন করে আত্মরক্ষা করতে পারে?
~ গিরগিটি
৪০৭। ক্ষতিকারক পতঙ্গকে পেস্ট বলে। যেমন- মাজরা পোকা।
৪০৮। একজন সাধারণ মানুষের দেহে মোট কত টুকরা হাড় থাকে? - ২০৬
৪০৯। অস্থিঃ
~ কানের ' স্টেপিস' মানুষের দেহে সবচেয়ে ছোট অস্থি।
~ কঙ্কালের সবচেয়ে বড় অস্থি - ফিমার।
~ মেরুদণ্ডের প্রত্যেকটি অস্থিখণ্ডককে কশেরুকা বলে।
~ মানবদেহে মোট কশেরুকার সংখ্যা ৩৩ (তেত্রিশ) টি।
~ প্যাটেলা হাঁটুতে অবস্থিত একটি ত্রিকোণকৃতি অস্থি।
৪১০। রক্তঃ
~ রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা।
~ রক্তের উপাদান ২ টি। যথা- রক্তরস ও রক্তকণিকা
~ রক্তে ৩ ধরনের কণিকা রয়েছে। যথা- লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্ত কণিকা এবং অনুচক্রিকা
~ মানুষের শরীরের ওজনের ৭% রক্ত থাকে।
~ পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দেহে রক্তের পরিমাণ ৫-৬ লিটার।
~ রক্তের P^H ৭.৩৫-৭.৪৫
~ শীতল রক্ত বিশিষ্ট প্রাণী - ব্যাঙ
~ উষ্ণ রক্ত বিশিষ্ট প্রাণী - মানুষ
৪১১। লোহিত রক্তকণিকাঃ
~ লোহিত রক্তকণিকা বয়ঃপ্রাপ্ত হলে প্লীহায় সঞ্চিত হয়।
~ লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না।
~ লোহিত কণিকার গড়আয়ু ১২০ দিন (৪মাস)।
~ হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং লাল হয়।
~ মানুষের রক্তের লোহিত কণিকায় হিমোগ্লোবিন থাকে।
~ হিমোগ্লোবিন 'আমিষ' জাতীয় পদার্থ।
~ আরশোলার রক্ত সাদা কারণ এতে হিমোগ্লোবিন নেই।
~ কেঁচোর রক্তরসে হিমোগ্লোবিন থাকে।
~ রক্তে হিমোগ্লোবিন এর পরিমাণ হ্রাস পাওয়াকে রক্তশূন্যতা বলে।
~ আয়রন এবং ভিটামিন বি-১২ এর অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
~ হিমোগ্লোবিন তৈরীতে প্রয়োজন হয় আমিষ এবং লৌহ।
~ লোহিত রক্তকণিকা প্রধানত অক্সিজেন এবং সামান্য পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন করে।
~ লোহিত রক্তকণিকা রক্তে 'বাফার' হিসেবে কাজ করে।
৪১২। শ্বেত রক্তকণিকাঃ
~ মানুষের শরীরে শ্বেত রক্তকণিকা এবং লোহিত রক্তকণিকার অনুপাত= ১ঃ৭০০
~ শ্বেতকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
~ ব্লাড ক্যান্সারে রক্তের শ্বেত রক্তকণিকা অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যায়।
~ রক্তে শ্বেতকণিকা তৈরির প্রক্রিয়াকে বলে- লিউকোপোয়েসিস
~ রক্তে শ্বেতকণিকা বেড়ে যাওয়াকে বলে- লিউকোসাইটোসিস
~ রক্তে শ্বেতকণিকা অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়াকে বলে- লিউকেমিয়া
~ রক্তে শ্বেতকণিকা হ্রাস পাওয়াকে বলে- লিউকোপেনিয়া
~ এইডস রোগে রক্তের শ্বেতকণিকা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
৪১৩। অনুচক্রিকাঃ
~ দেহের কোনো অংশ কেটে গেলে অনুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে।
~ রক্তে 'হেপারিন' থাকায় দেহের অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধে না।
~ ভিটামিন কে (K) রক্ত জমাট বাঁধার ফ্যাক্টর তৈরীতে সাহায্য করে।
৪১৪। মানুষের রক্তে লোহিত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে।
৪১৫। কোন প্রাণী শীতকালে 'শীতনিদ্রা ' যাপন করে? - ব্যাঙ
৪১৬। রক্তে হিমোগ্লোবিন এর কাজ- অক্সিজেন পরিবহন করা।
৪১৭। একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষ কতদিন পর পর রক্ত দান করতে পারেন? - ৩ মাস (১২০ দিন)
৪১৮। রক্তের গ্রুপঃ
~ কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ব্লাড গ্রুপ আবিষ্কার করেন।
~ মানুষের রক্তের গ্রুপ -৪টি
৪১৯। কোন রক্ত গ্রুপকে 'সর্বজনীন দাতা' বলা হয়? - O (ও) গ্রুপ
৪২০। কোন রক্ত গ্রুপকে 'সর্বজনীন গ্রহীতা' বলা হয়? - AB রক্ত গ্রুপকে
৪২১। হৃদপিণ্ডঃ
~ একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির হৃদপিণ্ডের ওজন- ৩০০গ্রাম
~ মানুষের হৃদপিণ্ডে চারটি প্রকোষ্ঠ থাকে।
~ হৃদপিণ্ডের প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে।
~ হৃদপিণ্ডের সংকোচনকে সিস্টোল বলে।
~ হার্ট সাউন্ড চার ধরনের হয়।
~ ক্যাটল ফিসের তিনটি হৃদপিণ্ড থাকে।
৪২২। ধমনীর ভিতর দিয়ে নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়।
৪২৩। একজন পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ ব্যক্তির গড় নাড়ীর স্পন্দন (Pulse rate) ৭২/মিনিট
৪২৪। মানব দেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - স্ফিগমোম্যানোমিটার
৪২৫। হৃদরোগঃ
~ হৃদরোগের কারণ- ধূমপান, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, শারীরিক পরিশ্রম না করা ইত্যাদি।
~ হৃদপিণ্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - কার্ডিওগ্রাফ
~ E. . এর মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের কর্মদক্ষতা পরিমাপ করা হয়।
~ করোনারী এনজিওপ্লাস্টি হলো হৃদপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো পদ্ধতি
~ ইসিজির মাধ্যমে হার্টের রোগ নির্ণয় করা যায়।
৪২৬। শ্বসনঃ
~ মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস- শ্বসন
~ মানবকোষের অভ্যন্তরে মাইটোকন্ড্রিয়ায় শ্বসন ঘটে।
~ প্রাণী শ্বসন প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরী করে।
~ একজন প্রাপ্তবয়স্ক/পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তির ফুসফুসের বায়ু ধারণ ক্ষমতা ৬ লিটার।
~ স্বাভাবিক ভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রত্যেক ব্যক্তির প্রতি ২০ মিনিটে ১০০০ ঘনফুট নির্মল বায়ু প্রয়োজন হয়।
~ ফুসফুসের প্রদাহকে নিউমোনিয়া বলে।
~ নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয় মানব দেহের ফুসফুস।
৪২৭। নিউরনঃ
~ মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ- নিউরন
~ নারভাস সিস্টেমের স্ট্রাকচারাল এবং ফাংশনাল ইউনিটকে নিউরন বলে।
~ স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ - মস্তিষ্ক
~ একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মস্তিষ্কের গড় ওজন ১.৩৬ কেজি।
~ মস্তিষ্কের আবরণীর নাম- মেনিনমেস
~ মস্তিষ্কের সেরিব্রাম মানুষের চিন্তাশক্তি, শীত- গ্রীষ্ম, লজ্জা- ক্রোধ প্রভৃতি অনুভূতিবোধ নিয়ন্ত্রণ করে।
~ চিন্তার সঙ্গে মস্তিষ্কের যে অংশের সম্পর্ক বলা হয়- সেরিব্রাম
~ হাইপোথ্যালামাস মানবদেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
~ ২৪ বছর বয়সে মানুষের বুদ্ধির বিকাশ সম্পন্ন হয়।
~ স্নায়ু কোষের এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে।
~ নিদ্রাহীনতাকে ইনসমনিয়া বলে।
~ মানুষের স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য - ১৮ইঞ্চি
৪২৮। স্ট্রোকঃ
~ স্ট্রোক মস্তিষ্কের একটি রোগ।
~ মস্তিষ্কের ধমনী ছিড়ে রক্তপাত হওয়াকে বলে স্ট্রোক।
~ মস্তিষ্কের ডোপামিন তৈরির কোষগুলো নষ্ট হলে 'প্যারালাইসিস' রোগ হয়।
৪২৯। মুখবিবরঃ
~ মানুষের দুধ দাঁতের সংখ্যা ২০
~ পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দাঁতের সংখ্যা ৩২
~ কুকুরের মুখের দাঁতের সংখ্যা ৪৪
৪৩০। পাকস্থলীঃ
~ খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয়- হাইড্রোক্লোরিক এসিড
~ পেপটিক আলসার পাকস্থলীর ক্ষতজনিত একটি রোগ।
~ এন্ডোসকপির সাহায্যে পেপটিক আলসার রোগ নির্ণয় করা হয়।
৪৩১। যকৃতঃ
~ মানুষের শরীরের সর্ববৃহৎ গ্রন্থির নাম- যকৃত
~ যকৃতের প্রদাহকে হেপাটাইটিস বলে।
~ যকৃতের প্রদাহের জন্য দায়ী হেপাটাইটিস ভাইরাস।
~ রক্তের লোহিত কণিকা প্লীহায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে বিলিরুবিন উৎপন্ন হয়।
~ যকৃতে বিলিরুবিনের কনজুগেশন হয়।
~ রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে জন্ডিস বলে।
~ পিত্তের বর্ণের জন্য দায়ী বিলিরুবিন।
~ জন্ডিসে আক্রান্ত হয় যকৃত।
~ হেপাটাইটিস (জন্ডিস) রোগের প্রধান কারণ - ভাইরাস
~ মা এর রক্তে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস থাকলে নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কি হওয়া উচিত? - জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও HBIG শট দিতে হবে।
৪৩২। দেহের সবচেয়ে কঠিন অংশের নাম- এনামেল
৪৩৩। মানুষের লালারসে বর্তমান এনজাইমটির নাম - টায়ালিন
৪৩৪। কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়-- রেনিন
৪৩৫। বিলিরুবিন তৈরি হয়- প্লীহায়
৪৩৬। জন্ডিস যকৃতের রোগ।
৪৩৭। ডায়রিয়াঃ
~ পানিবাহিত, দূষিত খাদ্য বাহিত রোগ
~ খাবার স্যালাইন শরীরে পানি ও লবণের ঘাটতি পূরণ করে।
~ সোডিয়াম ক্লোরাইডের ০.৯% জলীয় দ্রবণকে নরমাল স্যালাইন বলে।
৪৩৮। পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভু গ্রন্থি বা গ্রন্থিরাজ বলা হয়।
৪৩৯। চোখের পানির উৎস- ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি
৪৪০। হরমোন(প্রাণরস) মানবদেহে রাসায়নিক দূত হিসেবে কাজ করে।
৪৪১। হরমোনঃ ( হরমোন- উৎস - তথ্যকণিকা)
★ থাইরোক্যালসিটোনিন----×---- রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে
★ টেসটোস্টেরন ---×---- দাঁড়ি গোফ জন্মায়
★ ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টোরন ---×--- মহিলাদের রজঃচক্র নিয়ন্ত্রণ করে
★ গ্লুকাগন ---×--- যকৃতের গ্লাইকোজেনকে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে।
★ ইনসুলিন -- অগ্ন্যাশয়ের অভ্যন্তরের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স -- ফ্রেডরিক গ্র্যান্ট বেনটিং এবং চার্লস বেস্ট ইনসুলিন আবিষ্কার করেন। ইনসুলিন এক ধরনের অ্যামাইনো এসিড। অতিরিক্ত শর্করা দেহে গ্লাইকোজেন রূপে জমা থাকে। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কমে যাওয়াকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে।
★ অ্যাডরিনালিন ---×--- ভয় পেলে এই হরমোনের জন্য গায়ের লোম খাড়া হয়। একে আপদকালীন বা সংকটকালীন হরমোন বলা হয়।
৪৪২। অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হলো- গ্লাইকোজেন
৪৪৩। ইনসুলিন নিঃসৃত হয় কোন গ্রন্থি থেকে? - অগ্ন্যাশয় (প্যানক্রিয়াস)
৪৪৪। কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়?- ইনসুলিন
৪৪৫। ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সত্য নয় সেটি হলো- চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এই রোগ হয়।
৪৪৬। ভয় পেলে গায়ের লোম খাড়া হয় কোন হরমোনের জন্য? - অ্যাডরিনালিন
৪৪৭। বৃক্কঃ
~ মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ - বৃক্ক
~ পূর্ণবয়স্ক মানুষের কিডনির ওজন - ১৫০ গ্রাম
~ বৃক্কের কার্যকরী একক বলা হয় নেফ্রন।
~ বৃক্কে মূত্র তৈরি হয়।
~ একজন স্বাভাবিক মানুষ প্রতিদিন ১৫০০ মিলি. মূত্র ত্যাগ করে।
~ শরীর হতে বর্জ্য পদার্থ ইউরিয়া বের করে দেয়- কিডনি
৪৪৮। নিষেকের ফলে উৎপন্ন কোষকে গ্যামেট বলে।
৪৪৯। পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসায় একটি আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঔষধ - ভায়াগ্রা
৪৫০। টেস্ট টিউব বেবিঃ
~ 'টেস্ট টিউব বেবি' পদ্ধতির জনক রবার্ট এডওয়ার্ডস
~ বিশ্বের ১ম টেস্ট টিউব বেবি- লুইস ব্রাউন
~ বাংলাদেশে ১ম টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় ৩০মে, ২০০১
~ বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী ১ম টেস্ট টিউব শিশু তিনটির নাম- হিরা, মনি ও মুক্তা
~ বাংলাদেশে সর্বপ্রথম টেস্ট টিউব শিশুর মা হন- ফিরোজা বেগম
#মোঃ_দেলোয়ার_হোসেন
প্রভাষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
ডেমরা কলেজ, ঢাকা-১৩৬০।
৪৫১। বাংলাদেশের ১ম হিমায়িত ভ্রুণ শিশু - অপ্সরা
৪৫২। মাতৃগর্ভে একজন শিশু প্রতিদিন ৫০০মিলিমিটার পানি পান করে।
৪৫৩। জন্মের পর হতে শিশুকে কত সময় পর্যন্ত কেবল মাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত? - ৬মাস পর্যন্ত (Exclusive Brest Feeding)
৪৫৪। মানবদেহের সর্ববৃহৎ অঙ্গ - ত্বক
৪৫৫। মানুষের গায়ের রঙ কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে? - মেলানিন
৪৫৬। মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তরঃ
~লালারস (লাইসোজাইম), পাকস্থলী রস (গ্যাসট্রিক জুস), ত্বক, সিলিয়া,অশ্রু, মিউকাস মেমব্রেন, মূত্র প্রবাহ, Friendly ব্যাকটেরিয়া, নিউট্রোফিল ইত্যাদি।
৪৫৭। বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ থাকে।
৪৫৮। প্রাকৃতিক নিয়মে চিকিৎসা করাকে ফিজিওথেরাপি বলে।
৪৫৯। আকুপাংচার ব্যথা ও রোগ নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত প্রাচীন চৈনিক চিকিৎসা পদ্ধতি।
৪৬০। চিকিৎসা পরিভাষাঃ( বিজ্ঞানের শাখা - আলোচ্য বিষয়)
★ Osteology --- হাড় বিষয়ক চিকিৎসা বিজ্ঞান
★ Opthalmology ---- চোখ বিষয়ক
★ Oncology ------- টিউমার/ক্যান্সার বিষয়ক
★ Paediatrics------ শিশুদের চিকিৎসা বিজ্ঞান
★ Psychology --- মনোবিজ্ঞান। 'অবসেশন' শব্দটি এই শাখার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
★ Neurology ----- স্নায়ু সম্পর্কিত
★ Dermatology ----- চর্ম বিষয়ক
★ Radiology ------- রঞ্জনরশ্মি সম্পর্কিত
৪৬১। আমাদের দেশে একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের গড়ে দৈনিক ২৫০০ ক্যালরি শক্তি প্রয়োজন।
৪৬২। খাদ্য তিন প্রকার। যথা- শর্করা, আমিষ এবং চর্বি
৪৬৩। খাদ্য উপাদান ছয় প্রকার। যথা - শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি
৪৬৪। সুষম খাদ্যের উপাদান - ৬টি
৪৬৫। দুধ একটি সম্পূর্ণ বা আদর্শ খাদ্য।
[ দুধের শ্বেতসার বা শর্করাকে বলা হয় ল্যাকটোজ]
৪৬৬। জাঙ্ক ফুডঃ
~ আলুর চিপস, বার্গার, ক্যান্ডি, কোমল পানীয়, চকলেট, ফ্রুট লুপস ইত্যাদি।
~ এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
৪৬৭। ছয়প্রকার খাদ্যের গুণাগুণ একনজরেঃ
(খাদ্যের নাম ও প্রধান কাজ)
★শর্করা/শ্বেতসার (কার্বোহাইড্রেট/গ্লুকোজ)--শক্তি উৎপাদন করে
★ আমিষ (প্রোটিন)-- ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধিসাধন ও দেহ গঠন করে
★ চর্বি/স্নেহ (লিপিড) -- তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে
★ খাদ্যপ্রাণ (ভিটামিন) -- রোগ প্রতিরোধ, শক্তি বৃদ্ধি করে
★ খনিজ লবণ (মিনারেল)-- বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
★ পানি --- কোষের গুণাবলি নিয়ন্ত্রণ করে
৪৬৮। দেহ গঠনে কোন উপাদানের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি? - আমিষ
[দেহকোষের পুনরুজ্জীবন ঘটানোর জন্য প্রয়োজন আমিষ]
৪৬৯। সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত কিরূপ? - ৪ঃ১ঃ১
৪৭০। ছয়প্রকার খাদ্যের পরিচয় ও কার্যাবলীঃ
★ শর্করা ( কার্বোহাইড্রেট)--
~ কার্বোহাইড্রেটে C, H, O - এর অনুপাত = ১ঃ২ঃ১
~ চাল, গম, আলু, ভুট্টা, চিনি, মধু, সাগু, বার্লি, সবজি ইত্যাদি শর্করা সমৃদ্ধ খাদ্য।
~ রাসায়নিক গঠন অনুসারে শর্করাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- মনোস্যাকারাইড, ডাইস্যাকারাইড এবং পলিস্যাকারাইড।
~ এক অণু বিশিষ্ট শর্করা- গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, গ্যালাকটোজ ইত্যাদি।
~ দুই অণু বিশিষ্ট শর্করা- সুক্রোজ, ল্যাক্টোজ, ম্যালটোজ ইত্যাদি।
~ বহু অণু বিশিষ্ট শর্করা - গ্লাইকোজেন, স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি।
~ রাফেজ এমন তন্তুময় বা আঁশযুক্ত অংশ যা পরিপাক হয় না।
~ রাফেজ মানবদেহে মল তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
★ আমিষ (প্রোটিন)--
~ মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির, শিম, ডাল, শুঁটকি ইত্যাদি আমিষ জাতীয় খাদ্য।
~ আমিষ আমাদের দেহের প্রধান গঠন উপাদান।
~ আমিষে ১৬% নাইট্রোজেন থাকে।
~ আমিষ হলো অ্যামাইনো এসিডের একটি জটিল যৌগ।
~ এই পর্যন্ত প্রকৃতিজাত দ্রব্যে ২২ প্রকার অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে।
~ আবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিডের সংখ্যা ১০টি। যথা- ভ্যালিন, লিউসিন, আইসো লিউসিন, ফিনাইল এলানিন, লাইসিন, থ্রিয়োনিন, মিথিয়োনিন, ট্রিপ্টোফ্যান, আরজিনিন, হিসটিডিন।
~ Natural Protein এর কোড নাম- Protein P-49
~ কোলাজেন এক ধরনের প্রোটিন।
~ দেহে রোগ প্রতিরোধকারী এন্টিবডি আমিষ থেকে তৈরি হয়।
~ ডিমের সাদা অংশে 'এলবুমিন" নামক প্রোটিন থাকে।
~ খেসারি ডালে BOAA নামক এক ধরনের অ্যামাইনো এসিড থাকে যা 'ল্যাথারাইজম' রোগের জন্য দায়ী।
~ আমিষের অভাবে শিশুদের কোয়াশিয়রকর এবং মেরাসমাস রোগ হয়।
~ কোয়াশিয়রকরে শিশুদের পেট বড় হয় এবং খাওয়ার অরুচি হয়।
~ মেরাসমাস রোগে দেহের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং চামড়া খসখসে হয়ে ঝুলে পড়ে ও শরীরের ওজন হ্রাস পায়।
★ স্নেহপদার্থ/চর্বি (লিপিড):
~ স্নেহ জাতীয় পদার্থে ২০ প্রকার ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায়।
~ সয়াবিন, সরিষা, তিল, বাদাম, সূর্যমুখী ইত্যাদি উদ্ভিজ স্নেহ পদার্থ।
~ চর্বি, ঘি, ডালডা ইত্যাদি প্রাণিজ স্নেহ পদার্থ।
~ ভোজ্যতেলের মধ্যে সয়াবিন তেল উৎকৃষ্টতম।
~ একজন সুস্থ সবল পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির দিনে ৫০-৬০ গ্রাম চর্বির প্রয়োজন হয়।
★ খাদ্যপ্রাণ (ভিটামিন)-
~ পোল্যান্ডের বিজ্ঞানী ক্যাসিমির ফ্রাঙ্ককে ভিটামিনের আবিষ্কারক বলা হয়।
~ ভিটামিন দুই প্রকার।
~ ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয়।
~ সবুজ তরকারিতে সবচেয়ে বেশি খনিজ লবণ এবং ভিটামিন থাকে।
★খনিজ লবণঃ
~ মানবদেহের ওজনের ১% খনিজ লবণ থাকে।
~ ফসফরাস, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্লোরিন, সালফার, আয়োডিন, লৌহ ইত্যাদি খনিজ লবণ।
~ খনিজ লবণ দেহ গঠন এবং দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
~ হাড়, দাত, পেশি, এনজাইম ও হরমোন গঠনের জন্য খনিজ লবণ একটি অপরিহার্য উপাদান।
~ স্নায়ুর উদ্দীপনা এবং পেশি সংকোচন কাজে খনিজ লবণের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
★পানিঃ
~ পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দেহে পানির পরিমাণ ৫০-৬৫% [ কোথাও কোথাও বলা হয়েছে - একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দৈহিক ওজনের ৪৫%-৬০% পানি]
~ দেহে পানি দ্রাবকরূপে কাজ করে।
~ মানবকোষের মানবদেহে প্রতিদিন ২ লিটার পানির প্রয়োজন।
~ একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দৈনিক ১লিটার পানি পান করা প্রয়োজন।
~ পানির অভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়।
৪৭১। ছয় প্রকার ভিটামিনের পরিচয় ও ভূমিকাঃ
★ভিটামিন-A
~ গাজর, টমেটো, লালশাক, মিষ্টি কুমড়া, পেঁপে, কাঁঠাল, মলা মাছ, ঢেলা মাছ ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ পাওয়া যায়।
~ ভিটামিন-A এর অভাবে জেরপ্থ্যালমিয়া, রাতকানা রোগ হয়।
~ রাতকানা রোগ বুঝানোর প্রতীক - X_N
★ভিটামিন-B
~ ভিটামিন-B কমপ্লেক্স এর জন্য বেরিবেরি, ঠোঁটের কোণ এবং মুখের চারিদিকে ঘা হয়।
~ ঈস্ট, ঢেঁকিছাটা চাল, ফুলকপি, শিমের বীচি ইত্যাদিতে ভিটামিন-B পাওয়া যায়।
★ভিটামিন-C
~ ভিটামিন-C এর অপর নাম- অ্যাসকরবিক এসিড
~আমলকি, লেবু, কাজী পেয়ারা,কমলা,কামরাঙা, আমড়া, বাঁধাকপি, লেটুসপাতা, জাম্বুরা, মাল্টা,আনারস, টমেটো, কাঁচা মরিচ ইত্যাদিতে ভিটামিন-C পাওয়া যায়।
~ সবচেয়ে বেশি ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল আমলকী।
~ আমাদের দেশে ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ সবচেয়ে লাভজনক ফল কাজী পেয়ারা।
~ ডিম ও দুধে ভিটামিন-সি নেই।
~ তাপে ভিটামিন-সি নষ্ট হয়ে যায়।
~ ভিটামিন- সি এর অভাবে স্কার্ভি হয়।
~ ভিটামিন-সি এর অভাবে সর্দি ও কাশি সহজে হয়।
★ভিটামিন-D
~ ভোজ্যতেল, দুধ, মাছের তেল, ডিমের কুসুম ইত্যাদি ভিটামিন-ডি এর উৎস।
~ সূর্যকিরণ হতে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
~ সূর্যকিরণের অতিবেগুনী রশ্মি ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে।
~ ভিটামিন-D পরিশোষণে স্নেহ জাতীয় পদার্থ অপরিহার্য।
~ ভিটামিন-ডি অস্থি ও দন্ত গঠনে সহায়তা করে।
~ ভিটামিন-ডি এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং বড়দের অস্টিওম্যালাশিয়া রোগ হয়।
★ভিটামিন-E
~ ভোজ্য তেল 'ভিটামিন-ই 'এর সবচেয়ে ভালো উৎস।
~ ভিটামিন-E এর অভাবে প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং অকালে গর্ভপাত ঘটে।
★ভিটামিন-K
~ সবুজ শাকসবজি, পালং শাক, যকৃত ইত্যাদিতে ভিটামিন-K পাওয়া যায়।
~ ভিটামিন K রক্ত জমাট বেঁধে সহায়তা করে।
~ ভিটামিন-কে এর অভাবে ক্ষতস্থান হতে রক্ত পড়া বন্ধ হতে চায় না।
৪৭২। কোন ভিটামিনের অভাবে রাতকানা রোগ হয়?- ভিটামিন এ
৪৭৩। মলা ও ঢেলা মাছে কোন ভিটামিন প্রচুর থাকে?- ভিটামিন এ
৪৭৪। ভিটামিন-এ(A) সবচেয়ে বেশি গাজরে।
৪৭৫। কোন ভিটামিনের অভাবে মুখে ও জিহ্বায় ঘা হয়?- ভিটামিন বি২
৪৭৬। চা পাতায় কোন ভিটামিন থাকে? - ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
৪৭৭। সূর্যকিরণ হতে যে ভিটামিন পাওয়া যায় - ভিটামিন ডি
৪৭৮। কিসের অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়? - ভিটামিন ডি
৪৭৯। কোন ভিটামিন ক্ষতস্থান হতে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে? - ভিটামিন-K
৪৮০। কোন ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে? - ভিটামিন 'কে'
৪৮১। বিভিন্ন খনিজ লবণের প্রয়োজনীতাঃ
(খনিজ লবণ -খাদ্যের উৎস-প্রয়োজনীয়তা)
★ক্যালসিয়াম---দুধ---হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে। রক্ত জমাট বাঁধতে এবং পেশি সংকোচনে ভূমিকা রাখে।
★ ফসফরাস --- দুধ--- হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে।
★আয়রন ---মাংস, কচু শাঁক --- রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে। ফলে রক্তস্বল্পতা দূর করে।
★ পটাশিয়াম --- ডাব--- পেশি সংকোচনে ভূমিকা পালন করে
★ আয়োডিন ---সামুদ্রিক মাছ,ইলিশ,শেওলা-- থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে সহায়তা করে, আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড (ঘ্যাগ রোগ) রোগ হয়, আয়োডিনের অভাবে শিশুদের ক্রোটিনিজম রোগ হয়।
৪৮২। আমাদের দেশের উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে রংপুর, দিনাজপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহে গলগণ্ড রোগের প্রকোপ বেশি। আয়োডিনের অভাব দূরীকরণে বর্তমানে খাবার লবণের সাথে আয়োডিন মেশানো হয়।
৪৮৩। কচু শাঁক যে উপাদানের জন্য বিশেষভাবে মূল্যবান তা হলো- লৌহ
৪৮৪। হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে - ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
৪৮৫। কোন খাবারে সবচেয়ে বেশি পটাশিয়াম পাওয়া যায়? - ডাব
৪৮৬। কোন খনিজের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়? - আয়োডিন
৪৮৭। দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি কোন রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে?- হাইপোথাইরয়ডিজম
৪৮৮। ১ম স্তরের খাদক- গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি
[এরা মূলত উদ্ভিদভোজী/তৃণভোজী হয়]
৪৮৯। ২য় স্তরের খাদক- পাখি, ব্যাঙ, সিংহ, বাঘ, কুমির, মানুষ ইত্যাদি।
[ এরা মাংসাশী(Carnivorous) বলেও পরিচিত ]
৪৯০। ৩য় স্তরের খাদক- কচ্ছপ, বক, ব্যাঙ, মানুষ ইত্যাদি। [ এদেরকে সর্বভুক (Omnivorous) প্রাণীও বলা হয় ]
৪৯১। যে ব্যক্তি আরেকজন মানুষ বা প্রাণীর মাংস ভক্ষণ করে তাকে রাক্ষস (Cannibal) বলে।
৪৯২। অজীব উপাদানের মধ্যে রয়েছে মাটি, পানি, বায়ু, আলো ইত্যাদি।
৪৯৩। The word 'Ecological ' is related to - Environment
৪৯৪। The word ' Omnivorous ' means - eating all types of food.
৪৯৫। জিওডেসি (Geodesy) - পৃথিবীর আকার ও আকৃতি সম্পর্কিত বিজ্ঞান
৪৯৬। ভূগর্ভের রয়েছে তিনটি স্তর। যথা- অশ্মমণ্ডল, গুরুমণ্ডল এবং কেন্দ্রমণ্ডল
৪৯৭। ভূস্তরের পরিচয়ঃ
★ অশ্মমণ্ডল (ভূত্বক) :
~ ভূত্বক এর উপাদানগুলোর মধ্যে অক্সিজেন, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম প্রধান।
~ ভূত্বক এর প্রধান উপাদান অক্সিজেন।
★গুরুমণ্ডলঃ
~ গুরুমণ্ডল মূলত ব্যাসল্ট শিলা দ্বারা গঠিত।
★ কেন্দ্রমণ্ডলঃ
~ কেন্দ্রমণ্ডলের প্রধান উপাদান লোহা এবং নিকেল।
৪৯৮। কোন মৌলিক পদার্থ পৃথিবীতে বেশি পরিমাণ আছে? - অক্সিজেন
৪৯৯। পৃথিবী তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে - সিলিকন
৫০০। ভূত্বকের উপাদানের শতকরা পরিমাণঃ
অক্সিজেন ----------- ৪২.৭%
সিলিকন ------------- ২৭.৭%
অ্যালুমিনিয়াম ------ ৮.১%
আয়রন --------------- ৫.১%
ক্যালসিয়াম --------- ৩.৭%
সোডিয়াম ------------ ২.৮%
পটাশিয়াম ------------ ২.৬%
ম্যাগনেসিয়াম -------- ২.১%
#মোঃ_দেলোয়ার_হোসেন
প্রভাষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
ডেমরা কলেজ, ঢাকা -১৩৬০।
৫০১। সবচেয়ে কঠিন খনিজ -হীরা।
৫০২। সবচেয়ে নরম খনিজ - টেলক
৫০৩। উৎপত্তি অনুযায়ী ভূত্বকের শিলা ৩ প্রকার।
৫০৪। আগ্নেয় শিলা- গ্রানাইট, ব্যাসল্ট, ল্যাকোলিথ ইত্যাদি।
[ Igneous অর্থ আগুন ]
৫০৫। আগ্নেয় শিলা স্ফটিকার এবং এতে জীবাশ্ম নেই।
৫০৬। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম ও ছিদ্র দেখা যায়।
৫০৭। পাললিক শিলা- চুনাপাথর, নুড়িপাথর, বেলেপাথর, কর্দমপাথর, চক, লবণ, জিপসাম, কোকিনা ইত্যাদি।
৫০৮। রূপান্তরিত শিলা- মার্বেল, গ্রাফাইট, নিস, স্লেট, কোয়ার্টাজাইট ইত্যাদি।
৫০৯। পৃথিবীর বিশাল প্রাকৃতিক শোধনাগার হচ্ছে মাটি।
৫১০। চাষের উপযোগী নয়- বেলেমাটি
[ বেলে মাটির পানি ধারণক্ষমতা সর্বনিম্ন এবং পানি শোষণক্ষমতা সর্বোচ্চ ]
৫১১। কৃষিক্ষেত্রে দো-আঁশ মাটিকে আদর্শ মাটি বলা হয়। [ফসল উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে উত্তম ]
৫১২। চাষের জন্য সর্বাপেক্ষা উপযোগী - দোআঁশ মাটি
৫১৩। এঁটেল মাটির পানি ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ এবং পানি শোষণক্ষমতা সর্বনিম্ন।
৫১৪। বায়ুমন্ডল ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেপ্টে থাকে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির জন্য।
৫১৫। বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন
৫১৬। বায়ুমণ্ডল এর উপাদানসমূহ এবং শতকরা পরিমাণ :
নাইট্রোজেন ------------------ ৭৮.০১%
অক্সিজেন -------------------- ২০.৭১%
আর্গন ---------------------------- ০.৮০%
কার্বন ডাই-অক্সাইড --------- ০.০৩%
নিয়ন ----------------------------- ০.০০১৮%
হিলিয়াম ------------------------- ০.০০০৫%
ক্রিপটন -------------------------- ০.০০০১২%
ওজোন(O_3) ------------------ ০.০০০১%
জেনন ---------------------------- ০.০০০০৯%
হাইড্রোজেন -------------------- ০.০০০০৫%
নাইট্রাস অক্সাইড ------------ ০.০০০০৫%
মিথেন --------------------------- ০.০০০০২%
৫১৭। বায়ুমন্ডলীয় স্তরকে ৫টি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল এবং এক্সোমণ্ডল
৫১৮। বায়ুমণ্ডলীয় স্তর সমূহ ও গুরুত্বঃ
★ ট্রপোমণ্ডল( Troposphere) :
~ ভূপৃষ্ঠের নিকটতম বায়ু স্তরকে বলে ট্রপোমণ্ডল।
~ মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা প্রভৃতি এই স্তরে সৃষ্টি হয়।
★ স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere) :
~ ওজন স্তর বায়ুমণ্ডলের এ স্তরে অবস্থিত।
★ মেসোমণ্ডল ( Mesosphere) :
~ এই স্তরের উপরে তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়া থেমে যায়।
★ তাপমণ্ডল ( Thermosphere):
~ এই স্তরে বায়ুস্তর অত্যন্ত হালকা ও চাপ ক্ষীণ।
~ তাপমণ্ডলের নিম্ন অংশকে আয়নমণ্ডল বলে।
~ বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় আয়নোস্ফিয়ারে।
~ বায়ুমণ্ডলের আয়নমণ্ডলের ঊর্ধ্বস্তরে উল্কা ও কসমিক কণার সন্ধান পাওয়া গেছে।
★ এক্সোমণ্ডল (Exosphere) :
~ এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়।
৫১৯। মেরুজ্যোতির কারণ আবহাওয়া মণ্ডলের উচ্চতম স্তরে বৈদ্যুতিক বিচ্যুতি।
৫২০। বায়ুমণ্ডলে সর্বাধিক পাওয়া যায় - নাইট্রোজেন
৫২১। বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত ভাগ?- ৭৮.০১%
৫২২। বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে বজ্রপাত ঘটে?- ট্রপোমণ্ডল
৫২৩। বায়ুমণ্ডলের যে স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়- আয়নোস্ফিয়ার
৫২৪। মেটিওরোলজি (Meteorology) হলো আবহাওয়া সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
৫২৫। জলবায়ুর নিয়ামক - অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্র স্রোত, পবর্তের অবস্থান, বনভূমির অবস্থান ইত্যাদি।
৫২৬। আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলোর মধ্যে বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুর আদ্রতা, বারিপাত ইত্যাদি।
৫২৭। দ্রাঘিমা রেখা একটি অঞ্চলের বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণ করে না।
৫২৮। যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয়- নিয়ত বায়ু
৫২৯। গর্জনশীল চল্লিশার অবস্থান - ৪০° দক্ষিণ থেকে ৪৭° দক্ষিণ
৫৩০। বিকালে (অপরাহ্ণে) সমুদ্র বায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।
৫৩১। রাত তিনটার পর স্থলবায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।
৫৩২। শীতকালে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়।
৫৩৩। আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন, ভারতীয় উপমহাদেশের লু এসব স্থানীয় বায়ু।
৫৩৪। বায়ুর তাপের প্রধান উৎস সূর্য। বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির ৯৯.৯৭% আসে সূর্য থেকে।
৫৩৫। সাধারণত প্রতি ১০০০ মি. উচ্চতায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
৫৩৬। সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ সর্বাধিক।
৫৩৭। গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার
৫৩৮। বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ব্যারোমিটার
৫৩৯। বায়ুর চাপ ধীরে ধীরে কমতে থাকলে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৫৪০। বায়ুর চাপ হঠাৎ করে কমলে ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৫৪১। বায়ুর চাপ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকলে আবহাওয়ার উন্নতি হবে।
৫৪২। বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা - জর্জ ল্যামেটার
৫৪৩। A brief history of Time লেখক স্টিফেন হকিং
-
নোটটা বা সাজেশানটা অনলাইন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।


Post a Comment